
নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিণী,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ছাত্রদল নেত্রী,অপর্ণ বাংলাদেশর চেয়ারম্যান, বীথিকা বিনতে হোসাইন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসাবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুর জেলা বাসী।
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলাতে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন৷ তার স্বামী শফিউল বারী বাবু লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বাসিন্দা। স্বামীর অসম্পূর্ণ কাজ করতে চান বীথিকা।
বাবু ছিলেন ফ্যাসিবাদী এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রাজপথের সাহসী সৈনিক। ‘আমার নেত্রী আমার মা বন্দী হতে পারে না’ স্লোগানটি দিয়ে সারাবিশ্বে আলোচিত হয়েছেন তিনি। ওই স্লোগানের প্রবক্তা তিনি।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানকে দেশে আনার জন্য রাজপথে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছিলেন। জীবনের বেশিরভাগ সময় থাকতে হয়েছে আত্মগোপনে অথবা কারাগারে। সহ্য করতে হয়েছে পুলিশি নির্যাতন এবং রিমান্ড। বাবু ছিলেন দলের নিবেদিত প্রাণ।
শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিণী বীথিকা বিনতে হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল থেকে বেড়ে ওঠা একজন সাহসী নেত্রী। যিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন মানবিক সংগঠন ‘অর্পণ আলোক’।
বিএনপি’র নারী নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম করা শফিউল বারী বারী বাবুর রেখে যাওয়া কর্মী সমর্থকদের জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার এবং দেশজুড় বিএনপির নির্যাতিত কর্মীদের পাশে অর্পণ আলোক সংঘ নামক সংগঠন এর মাধ্যমে সবার পাশে অর্থনৈতিক ও মানসিক সাপোর্ট দিয়েও আগলে রেখেছেন আপদে-বিপদে।
লক্ষ্মীপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণ এবং তার সমর্থিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চেয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছেন।
শফিউল বাবু জীবদ্দশায় স্বপ্ন দেখতেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি কমলনগর) আসনের উপকূলীয় জনপদের অবহেলিত মানুষের উন্নয়নে।
অবহেলিত এ জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে বীথিকা বিনতে হোসাইনকে দল থেকে মূল্যায়ন করলে এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে, সেই সাথে এ জনপদের মানুষকে নিয়ে প্রয়াত বাবুর স্বপ্ন পূরণ হবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক নারী নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন- এমনটাই আশা এ জনপদের মানুষের।
বীথিকা: অপর্ণ আলোক সংঘের নামে সামাজিক সংগঠন দিয়ে সারা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী পরিবারের ঘুম,খুন, আহত দেরকে আর্থিক সহযোগিতা সহ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্তা করেছেন।রামগতি কমলনগরে বিভিন্ন সময় মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রী,অস্বচ্ছল মানুষের জন্য হুইল চেয়ার সহ মানুষের জন্য পাঠিয়েছেন।মানুষের বিপদে সব সময় ছুটে আসেন এ নেত্রী।

১৭.৮৩°সে
